
এখনো কি ঢালাও মামলা হচ্ছে না? আদালত কি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে পারছে? আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের হালচাল ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে চরচার সঙ্গে কথা বলেছেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

পর্ব-৩
ঠিক কী কী কারণে নারীর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে? এমন প্রশ্ন তুললে সঙ্গে সঙ্গেই একগাদা উত্তর ছুটে আসবে। এর মধ্যে থাকবে–বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা দীর্ঘসূত্রি বিচার, পুরুষ বাদে অন্য লৈঙ্গিক পরিচয়কে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রণির নাগরিক হিসেবে বিবেচনা, সমাজ ও রাষ্ট্রের পৌরষিক সত্তাসহ আরও অনেক কিছু

পর্ব-২
দেশে ধর্ষণের মতো ঘটনা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে–বললে কি ভুল বলা হবে? মনে হয় না। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে বিষয়টি হয়তো বোঝা যাবে। পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্নও তোলা দরকার যে, ধর্ষণ বা এ ধরনের ঘটনা আলোড়ন তোলার পর বিচারের দাবির নামে যেসব প্রস্তাব আসছে–তা কি অনেকটা লোকরঞ্জনবাদে আক্রান্ত?

পর্ব-১
অপরাধীর বিচার এবং সেই বিচারের রায় থেকে শুরু করে বিচিত্র সব সাজার তালিকা দেওয়া থেকে শুরু করে সাজা কার্যকরের নানা তরিকা পর্যন্ত বাতলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আজকের দুনিয়ার পুলিশ, গোয়েন্দা, বিচারালয় থেকে শুরু করে কবরখানা পর্যন্ত সবকিছুই তো এখন সামাজিক মাধ্যম। কে তাকে রুখবে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা এখন মধ্যযুগে নাই। আমরা আধুনিক যুগে, আইন সংস্কারটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সমাজের চাহিদা অনুসারে সব আইনকে আপটুডেট করতে হয় এবং যুগোপযোগী করতে হয়। সেগুলো চলমান প্রক্রিয়া। সেগুলো তো আছেই। বিভিন্ন আইনে অবশ্যই আমাদের কিছু কিছু সংশোধন আনতে হবে। সেটা আমরা দেখব।”

২ মে (২০২৬) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আয়োজনে ‘বিএনপি সরকারের আড়াই মাস: পর্যালোচনা, উদ্বেগ ও দাবিনামা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। অভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ? চরচা সংলাপে এসব নিয়ে আলোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও সুশাসন। গণতন্ত্রের দিকে যাত্রার প্রথম ধাপ হিসেবে একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সরকার গঠন করেছে একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক দল। কিন্তু ন্যায় বিচার কি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর হতে চলল, লক্ষ্য অনুযায়ী কতটা এগোতে পারল দেশ?

আজ ১০ বছর পরও আনোয়ারা বেগমের কান্নাভেজা কণ্ঠ কানে বাজে, “ওরা কেন তনুকে মেরে ফেলল?” এ রকম কত তনু, কত মিতু, কত সাগর–রুনি হারিয়ে গেল। আর ঘাতকেরা থেকে যায় আইন ও বিচারের বাইরেই।

অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে আইনে পরিণত করার ক্ষেত্রে সরকার পিছু হটার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জলদস্যু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে র্যাব সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি মো.আহসান হাবীব পলাশ।

আইজিপি বলেন, ওই সময় পুলিশসহ অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং আইনে যা প্রযোজ্য, তা-ই কার্যকর করা হবে।

আইজিপি বলেন, ওই সময় পুলিশসহ অনেক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং আইনে যা প্রযোজ্য, তা-ই কার্যকর করা হবে।